| |

সদরের পরানগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ কবর থেকে লাশ উত্তোলনের আদেশ

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ময়মনসিংহ সদরের পরানগঞ্জ ইউনিয়নস্থ ফলিয়ামারী গ্রামের আছর আলীর কন্যা জেএসসি পরীক্ষার্থী আঞ্জুমান আরা ইমুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়া হলেও অবশেষে বিজ্ঞ বিচারক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কবর থেকে লাশ উত্তোলন সহ সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতের জন্য ১৬৭ (২) ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জেবুন নাহার শাম্মীকে দায়িত্ব দিয়েছেন। উল্লেখ্য গত ১৭/১১/১৫ ইং মামলা নং-৩৭৫/১৫ সংক্রান্তে বিজ্ঞ বিচারক উপরোক্ত আদেশ দেন। আদালতে দায়ের কৃত মোকদ্দমায় বর্নিত ইমুর ভাই নাজমুল আলম কর্তৃক আদালতে দায়েরকৃত মামলায় ইসরাফিল (২০), সুরুজ মিয়া (১৯) মফিদুল ইসলাম (২২) ও মোঃ রাজন (২০) সহ অজ্ঞাত আরো ৩/৪ জনকে আসামী করা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ২০১০ (সংশোধনী/০৩) এর ৭/৯ (৩) ৩১ ধারায় এ মামলায় আঞ্জুমান আরা ইমুকে যৌন নিপীড়নে উত্যক্ত করত। পরবর্তীতে রাতে ঘর থেকে জোরপূর্বক অপহরন করে নিকটবর্তী নির্জন স্থানে ধর্ষণ করে লাশ একটি কাঁঠাল গাছের মগ ডালে গলায় ওড়না পেচিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। ইমু স্থানীয় মুক্তিবিদ্যাপীঠ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী ছিল। যে রাতে তাকে হত্যা করা হয় পরদিনই তার জেএসসি’র প্রথম পরীক্ষা ছিল।