| |

ময়মনসিংহ জংশনে আন্তঃনগর ট্রেনের টিকেটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বাংলাদেশ রেলওয়ের ময়মনসিংহ জংশন রেলস্টেশনের বুকিং অফিস হতে আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রয়ের দূর্নীতি আরো বেড়েছে। যাত্রী সাধারণ টিকিট কিনতে গেলে কর্তব্যরত বুকিং ক্লার্ক প্রথমেই জানান দেন টিকিট নেই। গন্তব্যের টিকিট নাই শুনে যাত্রী বলেন, এই পথে কোন স্টেশন পর্যন্ত টিকিট আছে তাই দেন। তখন বুকিং ক্লার্ক গন্তব্যের টিকিটের জন্য ১৫/২০/২৫ টাকা বেশী চেয়ে নিয়ে যাত্রীকে গন্তব্যের টিকিট দেন। যাত্রী অতিরিক্ত টাকাটা ফেরত চাইলে বুকিং ক্লার্ক টিকিটটি ফেরত চেয়ে নিয়ে অন্য যাত্রীর কাছে অধিক মূল্যে টিকিটটি বেচে সেই যাত্রীকে টাকা ফেরত দেন। বুকিং ক্লার্করা রেলওয়ের বেতনভাতা খেয়েও নিত্য অধিক মূল্যে টিকিট বিক্রির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর সাধারণ যাত্রীরা রেলওয়ে সেবার পরিবর্তে হয়রানী হচ্ছেন।
এই ধরনের অহরহ ঘটনার একটি হচ্ছে গত ৩০/০৭/১৯ ইং তারিখের দিবাগত রাতের ৩টায় ঢাকা হতে মোহনগঞ্জগামী ৭০৭ আপ আন্তঃনগর হাওর এক্সপ্রেসের টিকিট কিনতে যান গন্তব্য মোহনগঞ্জের এক যাত্রী কর্তব্যরত বুকিং ক্লার্ক জাহাঙ্গীর যাত্রীকে শোনান মোহনগঞ্জের টিকিট নাই। যাত্রী বলেন কোন স্টেশনের আছে সেটাই একটা দেন। পরমুহুর্তেই বুকিং ক্লার্ক জাহাঙ্গীর (অপারেটর কোড/কাউন্টার নং-গণঘ৮৯৩/৪) বলেন ১শ’ টাকা দেন। যাত্রী ১শ’ টাকা দিতেই জাহাঙ্গীর সাহেব ৮৫/- টাকা মূল্যের শোভন শ্রেনীর ঘ নং বগিতে ১৬ নং সীটের মোহনগঞ্জের টিকিট দেন। ১শ’ টাকার নোট থেকে বাকী ১৫/-টাকা ফেরত দেননি। চাইলে বলেন সিট নম্বর দিয়েছি তো ? বসে বসে যাবেন। জাহাঙ্গীরের মতো বুকিং ক্লার্ক লিজা, বুকিং ক্লার্ক নজরুলও এই টিকিট বানিজ্য করে যাচ্ছেন।