| |

বুধবার মহাষ্টমী রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা

স্টাফ রিপোর্টার : আজ বুধবার (১৩ অক্টোবর) ২৬ আশ্বিন শারদীয় দুর্গাপূজার মহাষ্টমী। সকাল সাড়ে ৬টায় মহাষ্টমী (বিহিত) পূজা শুরু। এছাড়া সকাল সাড়ে ১১ ঘটিকায় ময়মনসিংহ রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হবে (অন লাইনে হতে পারে) ফেসবুক পেজ নং-www.facebook.com/RKM Mymensingh. রাত্র ৮টা ১৪ মিনিটে সন্ধিপূজা। এক বালিকার মধ্যে শুদ্ধাত্মা নারীর রূপ চিন্তা করে সনাতনধর্মীরা তাকে ‘দেবী’ জ্ঞানে পূজা করবে।
কুমারী পূজা কেন করে? শ্র্রীরামকৃষ্ণের কথামৃতে বলা আছে-‘সব স্ত্রীলোক ভগবতীর এক-একটি রূপ। শুদ্ধাত্মা কুমারীতে ভগবতীর রূপ প্রকাশ।’ ৫ থেকে ৯ বছরের বালিকাকে সাজানো হবে কুমারী মাতৃকারূপে। মাতৃকাশক্তির বীজরূপা হচ্ছে বালিকা। পুণ্যার্থীরা কুমারী মায়ের সামনে প্রার্থনায় সমবেত হবেন। প্রথা ও নিরাপত্তার কারণে মেয়েটির নাম এবং পরিচয় পূজা সূচনার পূর্বে প্রকাশ করা হয় না। সব নারীতে মাতৃরূপ উপলব্ধি করাই কুমারী পূজার ল্য। আজ সকালে নির্দিষ্ট কুমারীকে স্নান করিয়ে নতুন কাপড় পরানো হবে। ফুলের মালা চন্দন ও নানা অলঙ্কার-প্রসাধন উপাচারে সাজানো হবে কুমারীকে।
দুর্গোৎসবের দ্বিতীয় দিন গতকাল ছিল মহাসপ্তমী। এদিন ত্রিনয়নী দেবী দুর্গার চুদান করা হয়। নবপত্রিকা প্রবেশ ও স্থাপনশেষে দেবীর মহাসপ্তমী বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পূজাশেষে যথারীতি অঞ্জলি প্রদান, প্রসাদ বিতরণ ও ভোগ-আরতির আয়োজন ছিল। দুর্গাবাড়ী মন্দিরের পুরোহিতরা জানিয়েছেন, দুর্গাকে বিশেষ রীতি অনুসারে স্নান করানো হয়। দুর্গার প্রতিবিম্ব আয়নায় ফেলে বিশেষ ধর্মীয় রীতিতে স্নান করানোর পর বস্ত্র ও নানা উপচারে মায়ের পূজা দেয়া হয়। গতকাল সপ্তমীপূজা থেকে মন্দিরগুলোতে দেবী দর্শনের জন্য দর্শনার্থীদের ঢল নামে। দর্শনার্থী ও ভুক্তবৃন্দ ময়মনসিংহের রামকৃষ্ণ মিশন, শিববাড়ী পুজামন্ডপ, দূর্গাবাড়ী, দশভূজা মন্দির, ছোটকালীবাড়ী মন্দির, বড়কালীবাড়ী মন্দির, থানাঘাট মন্দির, ছোট বাজার, বড় বাজার, ডালপট্টি, জিলাপি পট্টি, আটরবাড়ী বিডিং, আমলাপাড়া, অলকা নদী বাংলা, গোলপুকুরপাড়, মৃত্যুঞ্জয় স্কুল রোড, রঘুনাথ জিউর মন্দির, হিন্দধর্ম শালা, লোকনাথ মন্দির, ভাতৃসংঘ মন্দির, নাটক ঘরলেন, হরিজনপল্লিসহ বিভিন্ন মন্দিরে মা দুর্গাকে দর্শন ও প্রার্থনায় সমবেত হন। মুখরিত হয়ে উঠে প্রতিটি মন্দির প্রাঙ্গণ। এ উপলে নগরীর আশপাশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
আগামীকাল মহানবমী পূজা। প্রত্যেক পূজান্তে অঞ্জলি প্রদান শেষে দেশ ও বিশ্বশান্তিকল্পে ও মঙ্গলার্থে সমবেত প্রার্থনা।