| |

সরিষা-বোরো-রোপা আমন শস্য বিন্যাসের আওতায় বারি সরিষা-১৪ এর মাঠ দিবস

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, টাঙ্গাইল অফিসের উদ্যোগে গত ১৮ জানুয়ারি/২২ ধনবাড়ি উপজেলার দয়ারামবাড়ী গ্রামে ‘তেল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি (বারি অঙ্গ) শীর্ষক প্রকল্পের’ আর্থিক সহায়তায় বারি সরিষা-১৪ এর উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই টাঙ্গাইলের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আবদুল হেলিম খান। প্রধান অতিথি ছিলেন ড. মোঃ আব্দুল লতিফ আকন্দ, পরিচালক, তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, গাজীপুর, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. ফেরদৌসী বেগম, প্রকল্প পরিচালক ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরাআই, গাজীপুর এবং ড. মোঃ মঞ্জুরুল কাদির, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, জামালপুর। তাছাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, শতাধিক কৃষক/কৃষাণী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিজ্ঞানী, বৈজ্ঞানিক সহকারী এবং স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সমরেশ রায়, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই টাঙ্গাইল।
প্রধান অতিথি বলেন, বারি সরিষা-১৪ রোগ-বালাই সহনশীল এবং স্থানীয় জাতের চেয়ে বেশী ফলন দিয়ে থাকে কাজেই এই জাত আবাদ করে কৃষক বেশী লাভবান হবে। সরিষা চাষী মোঃ নরুল ইসলাম বলেন, এ জাতের বারি সরিষা-১৪ এর দানা বড় ও গাছ প্রতি পডের সংখ্যা স্থানীয় জাতের চেয়ে অনেক বেশি, গাছের শাখা-প্রশাখা বেশি হওয়ায় ফলন বেশি। আগামীতে তারা এই জাতের সরিষা আবাদ করতে আগ্রহী এবং এ জাতের বীজ তারা নিজেরা সংরক্ষন করবেন বলে কর্তৃপক্ষকে জানান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাজেদুল ইসলাম, ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল।
‘তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি’ প্রকল্পে (বারি অঙ্গ) সরিষা-বোরো-রোপা আমন ফসল ধারায় বারি সরিষা-১৪ এর উৎপাদন কার্যক্রম সরেজমিনে উপস্থিত চাষীদেরকে দেখানো হয় এবং তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেয়া হয়। মাঠ দেখে উপস্থিত কৃষকগন কৌতুহলী হন এবং বারি সরিষা-১৪ এর ফলন ও উৎপাদন কলাকৌশল সম্বন্ধে সম্যক ধারনা লাভ করনে। প্রদর্শিত জাতটি স্বল্প মেয়াদী ও ফলন বেশী হওয়ায় সহজেই সরিষা-রোপা আমন-পতিত (ব্রিধান৭৫) ফসল ধারায় চাষ করা সম্ভব বলে কৃষকগন মত প্রকাশ করেন। এই জাতটি চাষ করলে ফসলের নিবিড়তা ও উৎপাদশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকগণ আর্থিকভাবে অধিক লাভবান হবে।