| |

বিইআই আয়োজিত নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ শিখন বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত স্টাফ রিপোর্টার : “সুশাসনে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা

স্টাফ রিপোর্টার : “সুশাসনে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধির জন্য নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ” শিখন বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ময়মনসিংহ নগরীর আসপাডা প্রশিক্ষণ একাডেমিতে বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই) এর আয়োজনে এবং দি এশিয়া ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান। এসময় তিনি বলেন, বর্তমানে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সুশাসনের কোন বিকল্প নেই। পরিপূর্ন সুশাসন থাকলে আমরা আরো আগেই এগিয়ে যেতাম। তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বের জন্যই আওয়ামীলীগ সুদৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। সিভিল সোসাইটি আরো উন্নত করা দরকার। সর্বক্ষেত্রে দায়বদ্ধতার অভাব রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আদর্শ এবং পবিত্র জায়গা গণমাধ্যম। তাই সকলে মিলে উন্নয়ন মূলক কাজে অংশ গ্রহণ করতে পারলে আমরা মনের মত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব। আপনাদের প্রচেষ্টা সফল হউক।
অবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই) এর প্রেসিডেন্ট এম হুমায়ুন কবির এর সভাপতিত্বে সভায় জেলা নাগরিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিঃ নূরুল আমিন কালাম, আনন্দ মোহন কলেজের অধ্যাপক মোঃ আঃ হামিদ, কাউন্সিলর মনোয়ার হোসেন বিল্পব প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মুক্ত আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন তৃনমূল উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ফারুক আহম্মেদ, সনাক প্রতিনিধি তসলিমউদ্দিন আহম্মেদ, সাংবাদিক নিয়ামুল কবির সজল, আওয়ামীলীগ নেতা কাজী আজাদ জাহান শামীম, জাসদ নেতা রতন সরকার প্রমুখ।
উল্লেখ্য দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই) ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে খুলনা বিভাগ সহ মোট ৬ টি বিভাগে “সুশাসনে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধির জন্য নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ” শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পে ময়মনসিংহ জেলার গণমাধ্যমকর্মী এবং নাগরিক সমাজের সদস্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা যেমন তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সম্পর্কে তাদের প্রশিক্ষণ এবং তার বাস্তব প্রয়োগের জন্য বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের উপর মতামত জরিপ কার্যক্রমে তাদের নিয়োাজিত করা হয়। এর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত এবং সুপারিশমালা তারা একটি শিখন বিনিময় সভায় উপস্থাপন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায়ই আজকের এই আয়োজন।