| |

বাকৃবিতে ধান কাটার পর অপচয় রোধে শুকানো ও সংরক্ষনের আধুনিক উপায় নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বাকৃবি প্রতিনিধি ঃ স্বাধীনতাপরবর্তী দেশে ধানের উৎপাদন ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেলেও শুধুমাত্র ধান কাটার পর শুকানো ও সংরক্ষন সঠিক উপায়ে না করায় উৎপাদিত ফলনের প্রায় ১৪ ভাগ অপচয় হচ্ছে। এছাড়া ধানের গুদামজাতকরণ বিজ্ঞাণসম্মত না হওয়ায় এ প্রক্রিয়ারসাথে সম্পৃক্তরা অর্থনৈতিক ক্ষতিসহ স্বাস্থ্য ঝুকির মধ্যে বসবাস করছে। এর ফলে ধানের মোট উৎপাদন বৃদ্ধির ফলাফল জনগণ ভোগ করতে পারছেনা। সে লক্ষ্যে ধান কাটারপর অপচয় রোধে ধান শুকানো ও সংরক্ষনের আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত প্রযুক্তি আবিষ্কার এবং তা কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া এখন জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে ইউএসএআইডি এর অর্থায়নে আয়োজিত একসেমিনারে বক্তারা উল্লেখ করেছেন।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন ভবনে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫) সকাল ১০টায় ‘ইউএসএআইডি শস্য সংগ্রহপরবর্তী অপচয় রোধে আধুনিক গবেষণাগার-বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদের ডীন প্রফেসর মোঃ আব্দুর রশীদ এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আফজাল হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. শংকর কুমার রাহা। অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রকল্পের টীম লীডার প্রফেসর ড. মঞ্জুরুল আলম এবং বিভিন্ন বিভাগে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মোঃ আইয়ুব আলী,  প্রফেসর ড. চয়ন কুমার সাহা, প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল আওয়াল, জেন্ডার স্পেশালিস্ট শাহানা বেগম।
প্রকল্পের টীম লীডার প্রফেসর ড. মঞ্জুরুল আলম বলেন এ প্রকল্পের মাধ্যমে সঠিক উপায়ে ধান কর্তন, শুকানো ও সংরক্ষনের উপায় মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সরাসরি জানানো হচ্ছে এবং এর সঠিক বাস্তবায়নে ধানের অপচয় কমপক্ষে ৫ ভাগ কমানো সম্ভব হবে।
দ্বিতীয় পর্বে উন্মুক্ত আলোচনায় শিক্ষক, আগত বিজ্ঞাণী, এনজিও জাগরণীচক্র ও গ্রামাউস এর কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণকরেন।
সেমিনারে বিভিন্ন সরকারী,বেসরকারী,এনজিও কর্মকর্তা ও কৃষকপ্রতিনিধি অংশ নেয়।