| |

এমুলেট ঔষধ কোম্পানীর বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জে মামলা

নজরুল ইসলাম খায়রুল : এমুলেট ফার্মাসিউটিক্যাল লিঃ এর বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ কোর্টে মামলা রুজু হয়েছে। লোভনীয় মোটা অংকের বেতন ও কমিশনের লোভ দেখিয়ে কোন নিয়োগপত্র ছাড়াই চাকুরী দিয়ে কৌশলে ব্যাংকের ব্ল্যাংক চেকে স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগে এ প্রতারণা মামলা রুজু করা হয়।
২০১৫ সালের ৩১ আগস্ট মামলার বাদী প্রতারিত শিকিষত যুবক শহরের বত্রিশ এলাকার মৃত অনিল চন্দ্র মোদকের পুত্র রঞ্জন মোদক রনি বাদী হয়ে এমুলেট কোম্পানীর দায়িত্বে থাকা সি.ও আমিনুল হক চৌধুরী, প্রোডাক্ট এক্সিকিউটিভ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, এইচ.আর মোঃ মকবুলার রহমান ও আর.এস.এম জুবায়ের মোহাম্মদের বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করেন। মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) মামলার ৪ আসামীর মধ্যে তিন আসামী শর্ত সাপেক্ষে জামিনে গিয়েছে। প্রধান আসামী আমিনুল ইসলাম চৌধুরী জেল হাজতের ভয়ে কোর্টে হাজিরা দেয় নাই। মামলার বিবরণে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ এ ঔষধ কোম্পানিটি বেকার যুবকদের লোভনীয় ফাঁদে ফেলে নিয়মিত প্রতারণা করে আসছে। মান নিয়ন্ত্রনহীন অভিযুক্ত এ কোম্পানিটির বাজারে যে সব ঔষধ, তার অধিকাংশ ঔষধের বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া কোম্পানীর ছত্রছায়ায় প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় ও ডিপোগুলোতে কর্মরত কর্মচারীরা অভিনব কৌশলে ও চাকুরী প্রার্থীদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। কৌশলে ফাঁদে ফেলে চাকুরী প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ে মামলা দিয়ে হয়রানী ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়ারও প্রমান রয়েছে। ২০১৫ সালে ১ আগস্ট এমুলেট কোম্পানীর চাকুরীজীবি পরিচয়ে কিশোরগঞ্জ একটি হোটেলে মামলার বাদীকে মোবাইলে ডেকে নিয়ে তাদেরকে টাকা দেয়ার জন্যে চাপ দেয়। এতে মামলার বাদী তাদের দাবীকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করে। পরে ক্ষোভে কোম্পানীর পক্ষে মামলার বাদীকে আসামী করে টাকা সিজিএম কোর্টে একটি কোম্পানীর লোকজন মিথ্যা চেকের মামলা করে। অথচ কোম্পানীতে চাকুরীকালীন সময়ে রঞ্জন মোদক রনির নিকট কোম্পানীর কোন রকম পাওনা নেই। এ ব্যাপারে কোম্পানীর তৎকালীন কিশোরগঞ্জের ফিল্ড ম্যানেজার শায়রুল আলমের দেয়া প্রত্যয়ন পত্রে কোন দেনা-পাওনা নেই এরকম ক্লিয়ারেন্স রয়েছে।